সর্বশেষঃ
সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন সঞ্চয়পত্রে মুনাফার হার বাড়লো, সিদ্ধান্ত বাতিল একদিনের ব্যবধানে ফের সোনার দামে বড় আঘাত ব্যবসায়ীরা কারসাজি করে গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে: জ্বালানি উপদেষ্টা অর্থ উপদেষ্টার ভাষ্য: ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা ছাড়া মূল্যস্ফীতি কমানো অসম্ভব সোনার দাম ফের বেড়েছে, এক দফা কমার পর আবার নতুন মূল্য নির্ধারণ তাসনিম জারা ফুটবল প্রতীকে ভোট চান নির্বাচনে নির্বাচনী প্রস্তুতিতে বিএনপি থেকে জামায়াত-এনসিপির জোট অনেক এগিয়ে: নাহিদ ইসলাম নির্বাচনের অবস্থা বোঝা যাবে প্রচারণার পর, মির্জা ফখরুলের প্রতিশ্রুতি জামায়াতের আমিরের মতে দুই-একদিনের মধ্যে ১১ দলের আসন সমঝোতা হবে তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চলের সফর স্থগিত: মির্জা ফখরুল
নির্বাচনকালীন এলাকার পোস্টিং নিষেধ ঘোষণা মন্তব্য প্রেস সচিবের

নির্বাচনকালীন এলাকার পোস্টিং নিষেধ ঘোষণা মন্তব্য প্রেস সচিবের

নির্বাচনকালীন সময়ে মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নিয়োগ ও পোস্টিংয়ের দিক থেকে কঠোর নির্দেশনা জারি করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, নিজ বা শ্বশুর বাড়ির এলাকার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোথাও কোনো নিয়োগ বা পোস্টিং হবে না। এমনকি যদি কোনো এলাকায় আত্মীয়-স্বজন নির্বাচনে অংশ নেয়, তখনও সেখানে কোনও পদায়ন হবে না। এই নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি বুধবার বিকেলে একটি সংবাদ সম্মেলনে। দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

প্রেস সচিব বলেন, নির্বাচনকালীন সময়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভ্রান্তি ছড়ানো, গুরুত্বপূর্ণ পদায়ন, নির্বাচনের জন্য কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রায় দুই ঘণ্টার আলোচনায় এই বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে জানানো হয়, নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনী মোট ৯২ হাজার ৫০০ সদস্য মোতায়েন থাকবে। এর মধ্যে ৯০ হাজার সেনা সদস্য থাকবেন, বাকিরা নৌবাহিনীর। নির্বাচন দিন থেকে ৭২ ঘণ্টা আগে এবং পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশেষ প্রস্তুতি থাকবে।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, দেশের ৬৪ জেলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সবচেয়ে যোগ্য কর্মকর্তাদের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নিয়োগ দিতে হবে। গত তিন নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করেছেন এমন ডিসি, এডিসি, নির্বাহী কর্মকর্তা ও ম্যাজিস্ট্রেটদের এবার রাখা হবে না বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কারণ, এই কর্মকর্তারা প্রথমদিকে রিটার্নিং অফিসার, পোলিং অফিসার বা এ্যাসিস্ট্যান্ট রিটার্নিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাদের নির্বাচনে অন্তর্ভুক্ত না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভ্রান্তি রোধে বেশ আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। দুটি কমিটি গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে—একটি হলো সেন্ট্রাল কোঅর্ডিনেশন কমিটি, যা পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ রাখবে। এই কমিটি যাতে উপজেলার পর্যায়েও কার্যকর হয়, সে জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এছাড়াও, সংসদ নাই বলে এখন সংসদ টিভির মাধ্যমে নির্বাচন সম্পর্কিত তথ্য বা মেটারিয়াল সরবরাহের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে সাধারণ জনগণ ও সংশ্লিষ্টরা নির্বাচনের সময় আধুনিক ও নির্ভুল তথ্য পেয়ে যাবেন,

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY Shipon tech bd